চার দশক আগে বরাদ্দ পাওয়া নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকার একটি প্লটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির টাকা কখনোই জমা হয়নি। অথচ অন্য একটি প্লটের ব্যাংক রশিদ ওই নথিতে সংযুক্ত করে সব কিস্তি পরিশোধ হয়েছে দেখিয়ে প্লটটি উত্তরাধিকারীদের নামে নামজারি
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) যেকোনো কর্মকর্তার দপ্তরে গেলেই চোখে পড়ে টেবিলে কাচের নিচে রাখা একটি তালিকা। প্রায় দুই যুগ আগে হওয়া সেই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে গুলশান, বনানী, মহাখালী ও মতিঝিলের ৩৯টি ‘বিতর্কিত’ প্লটের নাম।